বর্তমান সময়ে (২০২২ সালে) বাংলাদেশে প্রায় ৫ কোটি মানুষ ইন্টারনেট সেবা নিয়োমিত ভাবে গ্রহণ করে চলেছেন এবং যাদের মধ্যে প্রায় ৯৫% মানুষ কোন না কোনো ভাবে ভিবিন্ন সামাজিক নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত। সময়ের সাথে মানুষ তারদের কেনা-কাটার ধরন ও পরিবর্তন করে চলেছে। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে বড় একটি অংশ অনলাইনে কেনা-কাটার আগ্রহ প্রকাশ করে থাকেন কিন্তু বাংলাদেশে ই-কমার্স তেমন ভাবে মানুষের আস্তা অর্জন করতে পারেনি তাই অনলাইনে শপিং তেমন জনপ্রিয় না কিন্তু সেই দিন আর খুব বেশি দূরে নয় যেদিন সবাই অনলাইনে শপিং করতেই বেশি পছন্দ করবেন। তারপর ও অনেকেই বিভিন্ন ভাবে যাচাই বাছাই করে অনালাইনে শপিং করে থাকেন সেটা হউক না দেশের ভিতরে বা দেশের বাইরে। যেহেতু অনলাইনে শপিং করতে গেলে নগদ কনো টাকা পেমেন্ট করা যায় না তাই এর জন্যে প্রয়োজন হয় ডিজিটাল টাকা বা ভার্চুয়াল মানির আর এই ভার্চুয়াল মানি লোড করা হয়ে থাকে একটি ডিজিটাল ক্রেডিট কার্ডে। যখন নিজের বা লোকাল দেশে অনলাইনে পেমেন্ট করতে হয় তখন খুব সহজে বিভিন্ন মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে খুব দ্রুত করা যায় কিন্তু ঝামেলা টা শুরু হয় যখন বাইরের কোনো দেশে পেমেন্ট করতে হয়। তাই এই ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট করতে প্রয়োজন হয় ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিড কার্ডের এখন সেটা হতে পারে ইন্টারন্যাশনাল মাষ্টার কার্ড বা ইন্টারন্যাশনাল ভিসা কার্ড।
ক্রেডিড কার্ডের ধরন আনুসারে দুই ধরনের হয়ে থাকে যাথাঃ
১। প্লাস্টিক ক্রেডিড কার্ড। এই ধরনের ক্রেডিড কার্ড দিয়ে অনলাইন অফলাইন সব ধরনের পেমেন্ট সম্পর্ণ করা যায়।
২। ভার্চুয়াল ক্রেডিড কার্ড। এই ধরনের ক্রেডিড কার্ড দিয়ে শুধু মাত্র অনলাইন পেমেন্ট গুলো সম্পর্ণ করা যায়।
কেনো আপনি ভার্চুয়াল ক্রেডিড কার্ড বা ভার্চুয়াল মাষ্টার কার্ড ক্রয় করবেন ?
অনলাইন শপিং -এর দিকে মানুষের আগ্রাহ যত বেশি বাড়ছে তেমনি বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে অনলাইন পেমেন্ট। আপনি যদি অনলাইনে পেমেন্ট করতে সমস্যার মুখ-মুখি হন তাহলে নিশচই আপনি অনলাইন শপিং এর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন। তাই এই সমস্যার সহজ সমাধাণ হল ভার্চুয়াল মাষ্টার কার্ড। নিন্মে কিছু উপযুক্ত কারণ পয়েন্ট আকারে বিশ্লেষন করা হলো যার উপর ভিত্তি করে আপনি বুঝতে সক্ষন হবেন যে “কেনো আপনি ভার্চুয়াল মাষ্টার কার্ড ক্রয় করবেন”।
১। গুগল প্লে কনসল একাউন্ট (Google Play Console): বর্তমানে (২০২২ সালে) ইন্টারনেটের মাধ্যমে যতো গুলো সহজ আয়ের মাথ্যম আছে তার মধ্যে গুগোল এডমোব অন্যতম। আমরা জানি যে গুগোল এডমোব থেকে আয় করতে হলে নিজের তৈরি করা এপ্স থাকতে হয় আর বর্তমান গুগোল এডমোব নীতি আনুসারে আপনার সেই এপ্স আবশ্যই গুগোল প্লে স্টোরে আপলোড করে পাবলিশ করা থাকতে হবে। আবার গুগোল প্লে ষ্টোর এর নীতি আনুসারে একটি এপ্স অবশ্যই পাবলিশ করতে হবে এপ্স এর নাম আনুসারে তৈরি কৃত একটি গুগল প্লে কনসল একাউন্ট থেকে। যেহেতু গুগল প্লে কনসল একাউন্ট খুলতে ২৫ ডলার পে করতে হয় তাই এই পেমেন্ট প্রসেস করতে একটি ক্রেডিড কার্ডের প্রযোজন হয়, হউক না সেটি ভার্চুয়াল ক্রেডিড কার্ড বা প্লাস্টিক ক্রেডিড কার্ড। যেহেতু প্লাস্টিক মাষ্টার কার্ডের মূল্য তুলনামুলক অনেক বেশি এবং খুব সহজে পাওয়া যায় না তাই এর বেষ্ট আল্টারনেটিভ সমাধাণ হলো ভার্চুয়াল মাষ্টার কার্ড বা ভার্চুয়াল ক্রেডিড কার্ড। আপনার আবগতির জন্য বলে রাখা ভাল যে- একটি মাত্র মাষ্টার কার্ড দিয়ে মাত্র একটি গুগল প্লে কনসল একাউন্ট খুলা যায়। একটি মাষ্টার কার্ড দিয়ে একাধিক গুগল প্লে কনসল একাউন্ট খুললে আপনার সব একাউন্ট সাস্পেন্ড হয়ে যাবে।

এককথায়ঃ গুগল প্লে কনসল একাউন্ট খুলতে ভার্চুয়াল মাষ্টার কার্ড বা ভার্চুয়াল ক্রেডিড কার্ডের ভুমিকা অপরিসীম।
২। ফেসবুক বিজ্ঞাপন (Facebook Ads): পৃথিবীর নাম্বার ওয়ান সামজিক যোগাযোগ সাইট হলো ফেসবুক যার ব্যাবহারকারীর সংখ্যা ২০০ মিলিযোনের বেশি এবং বাংলাদেশে যার ব্যাবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৫ কোটি। ই-কমার্স ব্যাবসায়ীদের প্রথম পছেন্দের তালিকায় আছে ফেসবুক তাই ই-কমার্স ব্যাবসায়ীরা ফেসবুকে তাদের পণ্যের বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন এবং ভাল মানের আয় করে থাকেন। কিন্তু সমস্যা হল এই যে- ই-কমার্স ব্যাবসায়ীগন যখন তাদের পণ্যের বিজ্ঞাপন ফেসবুকে দিয়ে থাকেন তখন সেই বিজ্ঞাপনের জন্যে ফেসবুকে কিছু পরিমান টাকা বা মূল্য পরিশধ করতে হয়। আর সেটি মূল্য পরিশোধ করার জন্য প্রয়োজন হয় ইন্টারন্যাশনাল মাষ্টার কার্ডের যা বাংলাদেশের বেশ কয়েক টি ব্যাংক থেকে মাত্র ৫৭৫/- টাকায় করিয়ে নেওয়া যায়। কিন্তু বাংলাদেশের চলমান মানি-লন্ডারিং আইন আনুসারে একজন ব্যাবহারকারীকে একটি ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিড কার্ড করতে হলে তাকে অবশ্যই পাসপোর্ট প্রদান করতে হবে এবং এই কার্ডের ট্রান্সেকশন লিমিট মাত্র ৫ হাজার ডলার হওয়াতে এবং এক সময়ে ৩০০ ডলারের বেশি পেমেন্ট করা যায় না বলে এই লোকাল কার্ড করতে মানুষ তেমন একটা আগ্রহী না। তাই এই বিকল্প এবং খুব সহজ সমাধান হলো ভার্চুয়াল মাষ্টার কার্ড। একটি ভার্চুয়াল মাষ্টার কার্ড পেতে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের প্রয়োজন হয় এবং কোনো প্রকার পেপার ওয়ার্কিং ও ট্রান্সেকশন লিমিট না থাকায় সবাই ভার্চুয়াল মাষ্টার কার্ড খুব উপকারী। অন্য দিকে ফেসবুক কারণে অকারণে এড একাউন্ট ডিজেবল করে দেয় বলে নতুন এড একাউন্ট তৈরী করার প্রয়োজন হয় এবং এই ক্ষেত্রে ভার্চুয়াল মাষ্টার কার্ড এর ভুমিকা অপরিসীম।

এককথায়ঃ ফেসবুক বিজ্ঞাপনের জন্যে ভার্চুয়াল মাষ্টার কার্ড ব্যাবহার করাটাই একজন বুদ্ধিমান ব্যবসায়ীর পরিচয়।
সব শেষে যদি আপনার মনে হয় আপনার একটি Virtual Master Card অথবা Virtual VISA Card ক্রয় করা আবশ্যক তাহলে আর দেরি না করে মাত্র ৫০০/- টাকা থেকে শুরু করে ২,০০০/- (দুই হাজার) টাকায় প্রতিটি একাউন্ট ক্রয় করতে এখুনি যোগোযোগ করুন ।
সরাসরি কল করুনঃ +88 01704 383539 (11AM-10PM)
আমাদের ৫০০/- টাকার ভার্চুয়াল ভিসা কার্ডে যা থাকছেঃ
ক। ওয়ান টাইম পেমেন্ট এর জন্যে ব্যাবহার করা যাবে।
খ। প্লে কনসল একাউন্ট খুলার জন্যে আদর্শ।
গ। কার্ড ক্রয়ের দিন থেকে ৭ দিন কার্ড ব্যবহার উপযোগী থাকবে।
ঘ। কার্ড রি-লোড করার কনো সুযোগ নেই।
ঙ। যে কনো পরিমান ডলার লোড করার সুযোগ আছে।
চ। ইন্সটেন্ট কার্ড প্রদান করা হবে।
আমাদের ১০০০/- টাকার ভার্চুয়াল ভিসা কার্ডে যা থাকছেঃ
ক। একাধিক পেমেন্ট এর জন্যে ব্যাবহার করা যাবে।
খ। প্লে কনসল একাউন্ট খুলার জন্যে আদর্শ।
গ। কার্ড ক্রয়ের দিন থেকে ১৫ দিন কার্ড ব্যবহার উপযোগী থাকবে।
ঘ। কার্ড রি-লোড করার সুযোগ আছে এবং ১৫% ট্রান্সেকশন চার্জ যুক্ত হবে।
ঙ। যে কনো পরিমান ডলার লোড করার সুযোগ আছে।
চ। ইন্সটেন্ট কার্ড প্রদান করা হবে।
ছ। ফেসবুক প্রি-পেইড বিজ্ঞাপনের জন্যে আদর্শ।
আমাদের ১৫০০/- টাকার ভার্চুয়াল ভিসা কার্ডে যা থাকছেঃ
ক। একাধিক পেমেন্ট এর জন্যে ব্যাবহার করা যাবে।
খ। প্লে কনসল একাউন্ট খুলার জন্যে আদর্শ।
গ। কার্ড ক্রয়ের দিন থেকে ১ মাস কার্ড ব্যবহার উপযোগী থাকবে।
ঘ। কার্ড রি-লোড করার সুযোগ আছে এবং ১৫% ট্রান্সেকশন চার্জ যুক্ত হবে।
ঙ। যে কনো পরিমান ডলার লোড করার সুযোগ আছে।
চ। ইন্সটেন্ট কার্ড প্রদান করা হবে।
ছ। ফেসবুক পোষ্টপেইড বিজ্ঞাপনের জন্যে আদর্শ।
আমাদের ২,০০০/- টাকার ভার্চুয়াল ভিসা কার্ডে যা থাকছেঃ
ক। একাধিক পেমেন্ট এর জন্যে ব্যাবহার করা যাবে।
খ। প্লে কনসল একাউন্ট খুলার জন্যে আদর্শ।
গ। কার্ড ক্রয়ের দিন থেকে ২ মাস কার্ড ব্যবহার উপযোগী থাকবে।
ঘ। কার্ড রি-লোড করার সুযোগ আছে এবং ১৫% ট্রান্সেকশন চার্জ যুক্ত হবে।
ঙ। যে কনো পরিমান ডলার লোড করার সুযোগ আছে।
চ। ইন্সটেন্ট কার্ড প্রদান করা হবে।
ছ। ফেসবুক পোষ্টপেইড বিজ্ঞাপনের জন্যে আদর্শ।
৩। নেটেলার (Neteller.com) ডিপোজিট : আপনি এই মহুর্তে আপনার মুল্যবান নেটেলার একাউন্ট টি ভেরিফাইড করতে হলে আগে আপনাকে আপনার নেটেলার একাউন্টে ডলার ডিপোজিট করতে হবে । আপনি আমাদের কাছ থেকে ভার্চুয়াল ভিসা কার্ড অথবা ভার্চুয়াল মাষ্টার কার্ড ক্রয় করলে খুব সহজে আপনি আপনার মুল্যবান নেটেলার একাউন্টে ডলার ডিপোজিট করতে পারবেন ।

৪। স্ক্রিল (Skrill.com) ডিপোজিট : আপনি এই মহুর্তে আপনার মুল্যবান skrill Account Verify করতে হলে আগে আপনাকে আপনার স্ক্রিল একাউন্টে ডলার ডিপোজিট করতে হবে । আপনি আমাদের কাছ থেকে ভার্চুয়াল ভিসা কার্ড অথবা ভার্চুয়াল মাষ্টার কার্ড ক্রয় করলে খুব সহজে আপনি আপনার মুল্যবান স্ক্রিল একাউন্টে ডলার ডিপোজিট করতে পারবেন ।

আপনার সাধারন প্রশ্নগুলো এবং উত্তর:
১। আমি এই ভার্চুয়াল ভিসা কার্ডে কিভাবে পেতে পারি?
উত্তরঃ আপনি এই ভার্চুয়াল মাষ্টার কার্ড ইমেইলের মাধ্যমে পাবেন।
২। এই ভার্চুয়াল ভিসা কার্ড করতে কি কি কাগজ পত্র লাগবে?
উত্তরঃ আমাদের এই ভার্চুয়াল মাষ্টার কার্ড ক্রয় করতে কনো প্রকার কাগজ পত্র লাগবে না, কেননা এটি সফট কার্ড। আপনি এই কার্ড শুধু মাত্র অনলাইনে পেমেন্ট করতে ব্যাবহার করতে পারবেন।
৩। ডলার কিভেবে লোড করতে পারি?
উত্তরঃ আপনি সরাসরি অন্য কনো মাধ্যমে এই ভার্চুয়াল মাষ্টার কার্ডে ডলার লোড করতে পারবেন না। ডলার লোড করতে হলে আমাদের মাধ্যমে লোড করতে হবে।
৪। এই ভার্চুয়াল ভিসা কার্ড কার নামে তৈরি করা হবে?
উত্তরঃ আপনি যদি আপনার নামে ভার্চুয়াল মাষ্টার কার্ড তৈরি করাতে চান তাও করাতে পারবেন। আর না চাইলে আমরা আমাদের মতো করে কার্ডে নাম বসিয়ে কার্ড তৈরি করে দেবো।
৫। এই ভার্চুয়াল ভিসা কার্ড কিনতে কি করতে হবে?
উত্তরঃ শুধু মাত্র আমাদের সরাসরি কোল দিয়ে অর্ডার করে আপনার পেমেন্ট কনফার্ম করতে হবে এবং আপনি যেই ইমেইল এর মাধ্যমে কার্ড ডেলিভারি নিতে চান সেই ইমেইল এড্রেস আমাদের এসএমএস করে দিতে হবে।
৬। আমি কিভাবে পেমেন্ট করতে পারি?
উত্তরঃ আপনি যে কনো ভাবে আমাদের পেমেন্ট করতে পারেন। যেমন ধরুন- বিকাশ, রকেট, নগদ, লোকাল ব্যাংক অথবা অনলাইন ভার্চুয়াল ডলার ও দিয়ে পেমেন্ট করতে পারেন। আমাদের সব পেমেন্ট মেথড দেখতে এখানে ক্লিক করুন।